স্বরধ্বনি কাকে বলে

Table of Contents

স্বরধ্বনি কাকে বলে

ধ্বনি
ধ্বনি

প্রত্যেক ধ্বনিরই শোনার বা শ্রব দিক এবং  উচ্চার্য দিক আছে। বক্তা কথা বলার সাথে সাথে তার নিজের এবং শ্রোতার কানে সমানভাবে আঘাত লাগে।  এ কথা মনে রেখে ইংরেজ ধ্বনি বিজ্ঞানী স্বরধ্বনি যে সংখ্যা প্রদান করেছেন, ধ্বনি বিজ্ঞানী অধ্যক্ষ আব্দুল হাই তার সহজ ভাবে ব্যক্ত করেছেন এভাবে- স্বাভাবিক কথাবার্তা গলন নালী ও মুখবিবর দিয়ে বাতাস বেরিয়ে যাবার সময় কোন জায়গায় বাধা প্রাপ্ত না হয়ে কিংবা স্মৃতির গ্রাহ্য চাপা না খেয়ে ঘোষবৎ যে ধনী উদগত হয় তাই স্বরধ্বনি। তিনি আরো বলেছেন কথাবার্তা স্বাভাবিক না হয়ে যদি অস্বাভাবিক পদ্ধতিতে হয় তাহলে স্বরধ্বনি ও অঘোষ হতে পারে। উল্লেখিত দুজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী মতকে সমর্থন করে বলা যায় যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখের ভিতর কোথাও বাধা প্রাপ্ত হয় না তাকে বলা হয় স্বরধ্বনি। যেমন অ, আ, ই, উ ইত্যাদি। স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে অন্য ধ্বনির সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

স্বরধ্বনির প্রকারভেদ

 যে চিহ্ন প্রতীকের ধারা স্বরধ্বনি রূপ লাভ করে তাকে স্বরবর্ণ বলে।  বাংলায় স্বরবর্ণ এগারোটি।  যথা-

অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।

ধ্বনি সৃষ্টির সময় যদি স্বরতন্ত্রীদ্বয়ে বিশেষভাবে কাপন সৃষ্টি হয়, তবে ধ্বনিগুলো হয় ধ্বনি অথবা নীনাদিত। এসব ধ্বনিকে ঘোষ ধনী বলে। সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনি ঘোষ ধ্বনি।

উচ্চারণের প্রকৃতি অনুসারে স্বরধ্বনিগুলোকে দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যথা মৌলিক স্বরধ্বনি ও যৌগিক স্বরধ্বনি।

 মৌলিক স্বরধ্বনি

ধ্বনি
ধ্বনি

 যে স্বরধ্বনিকে বিশ্লেষণ করা যায় না তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে।  মৌলিক স্বরধ্বনির প্রতীকগুলো হচ্ছে-

অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, এ, ও।

যৌগিক স্বরধ্বনি

যৌগিক স্বরধ্বনি
যৌগিক স্বরধ্বনি

 পাশাপাশি দুটি মৌলিক স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় এগুলো একটা স্বরধ্বনিতে পরিণত হয়।  এরূপ দুটি স্বরধ্বনি একই সাথে উচ্চারিত হলে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে।  যথা-

অ+ই+ঐ,              অ+উ=ঔ।

বাগযন্ত্র

Views: 21

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *