মধুর উপকারিতা

মধুর মধ্যে বিভিন্ন ঔষধি গুণ বিদ্যমান।  এটি আমাদের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  আমাদের পাকস্থলী বিনোদনের কত সরাতে মধুর বিকল্প নেই। একটি আলসারসহ বিভিন্ন রোগের প্রতিশেধক হিসেবে কাজ করে।

মধুর এই সময় মৌমাছি এমন একটি এনজাম ব্যবহার করে যাতে সকল প্রকার ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যায়।  এ কারণে মধু সবসময় টাটকা  সতেজ  থাকে। কোন সময় এটি নষ্ট হয় না।

প্রাচীনকালে খেলোয়ারেরা ডুমুরের সাথে মধু খেতেন।  এ বিষয়টি বর্তমান বিজ্ঞানীরা বিভিন্নভাবে গবেষণা করে দেখেছেন। শরীরে গ্লাইকোজেনের মাত্রা ঠিকঠাক রাখতে এবং কেনার সময় যে ধরনের কত হয় সেগুলো ছাড়িয়ে তুলতে মধু ঔষধি হিসেবে কাজ করে।

সর্দি কাশিতে তুলসী পাতার সাথে মধু মিশিয়ে খেলে এর ঔষধি গুন অনেক গুন বৃদ্ধি পায়।  মধু যেহেতু একটি প্রাকৃতিক ওষুধ করা যায়। নিয়মিত মধু খেলে ভাল ঘুম হয় এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

প্রাচীনকাল থেকেই মধু বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।  ইতিহাস থেকে জানা যায় প্রায় চার হাজার বছর আগে থেকেই ভারত উপমহাদেশের মানুষ ওষুধ হিসেবে মধু ব্যবহার করে আসছে। মধু শারীরিক দুর্বলতা সারাতে, হাঁপানিতে, প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া সহ বিনোদনের সংক্রামক প্রতিরোধ করতে, পুরুষদের পুরুষ স্বাধীনতা দূর করতে, ওজন কমাতে ব্যবহার হতো।

ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে সরকার পরিমাণ কমাতে মধু বেশ কার্যকর।  মধুতে চিনি ভাগ গ্লুকোজ থাকলেও এটিএম ডেভিডস রোগীদের কিছু কিছু ক্ষেত্রে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে ভূমিকা রাখে।  কিছু বিশেষজ্ঞদের নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে মধু খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকে।

শরীরে কোন স্থানে কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে বা যেকোনো কারণে আঘাত ফেলে স্থানে মধু লাগাতে হয়। মধু সাধারণত ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে কাজ করে।  এই গুণের কারণে আক্রান্ত স্থানের ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে না।  মধু এই দুটি নির্ধারক বলে দীর্ঘদিন খাল ধরেই মধু সতেজকা থাকে।  তাই অনেক বিশেষজ্ঞরা আক্রান্ত বা কত স্থানে মধু লাগানোর  পরামর্শ  দেয়।

মধু বিক্রিয়া নুরুদ্দিনের কারণে অনেকেই রূপচর্চায় মধু ব্যবহার করে থাকে।  মধুর সাথে লেবুর রস ও অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে তোকে ব্যবহার করলে তোকে সৌন্দর্য ভ্রুবনের বৃদ্ধি পায়।  তাই বিউটিসিয়ানদের কাছে মোদিকে একটি ফেসপ্যাক হিসেবে জনপ্রিয়।

তুলসি পাতার উপকারিতা

Views: 12

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *