প্রান্তিক যোগ্যতা কাকে বলে

Table of Contents

প্রান্তিক যোগ্যতা

প্রান্তিক যোগ্যতা
প্রান্তিক যোগ্যতা

প্রান্তিক যোগ্যতা শিশুরা প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যে যোগ্যতা গুলো ধাপে ধাপে শিখবে বলে আশা করা যায় সেগুলো কেউ প্রান্তিক যোগ্যতা বলা হয়। 

 প্রান্তিক যোগ্যতা মোট ২৯ টি।  এগুলো হলো

০১। সর্বশক্তিমান আল্লাহ স্রষ্টার উপর আস্থা এবং বিশ্বাস রাখা সমস্ত সৃষ্টির প্রতি ভালবাসা উদ্দিপ্ত হওয়া।

০২।  নিজ নিজ ধর্মের প্রচারকদের আদর্শ ও ধর্মীয় অনুশাসনের অনুশীলনের মাধ্যমে নৈতিক ও চারিত্রিক গুণাবলী অর্জন করা।

০৩। সকল ধর্ম ও ধর্মের অনুসারীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা এবং ভ্রাতৃত্ববোধের উদ্দীপ্ত ও শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

০৪।  কল্পনা, কৌতূহল, সৃজনশীলতা এবং বুদ্ধিমত্তা বিকাশে আগ্রহী। 

০৫। সংগীত শিল্পকলা এবং কারো শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে সৃজনশীলতা, নান্দনিকতা, পুরস্কার এবং নান্দনিকতার প্রকাশ এবং সৃজনশীলতার আনন্দ এবং সৌন্দর্য উপভোগ করার ক্ষমতা লাভ।

০৬।  প্রকৃতির নিয়ম গুলো জেনে বিজ্ঞানের জ্ঞান অর্জন করা। 

০৭। বলিনি কি নীতি ও পদ্ধতি এবং যৌক্তিক চিন্তার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বৈজ্ঞানিক মানসিকতা অর্জন করা।

০৮।  প্রযুক্তি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জেনে ও প্রয়োগ করে জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

০৯। বাংলা ভাষার মৌলিক দক্ষতা অর্জন করা এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে এটিকে কার্যকর ভাবে ব্যবহার করা।

১০।  একটি বিদেশী ভাষা হিসেবে ইংরেজি ভাষার প্রাথমিক দক্ষতা অর্জন এবং ব্যবহার জানা।

প্রান্তিক যোগ্যতা
প্রান্তিক যোগ্যতা

১১। গাণিতিক ধারণা এবং দক্ষতা অর্জন ।

১২। যৌক্তিক চিন্তার মাধ্যমে গাণিতিক সমস্যার সমাধান করতে পারা।

১৩।  মানবাধিকার, আন্তর্জাতিকতারবোধ, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ববোধ এবং বিশ্ব সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী এবং শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

১৪।  স্বাধীন ও মুক্তচিন্তার উৎসাহিত হওয়া এবং গণতান্ত্রিক রীতিনীতি অনুশীলন করা। 

১৫। নৈতিক ও সামাজিক গুণাবলী অর্জনের মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে ভালো ও মন্দের পার্থক্য নির্ণয় করা।

১৬। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং সংরক্ষণে যত্ন নেওয়া।

১৭।  বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সহ জাতি, ধর্ম এবং বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে সম্প্রীতি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মানসিকতা অর্জন করা।

১৮। অন্যদের অগ্রাধিকার দিয়ে এবং মানবিক গুণাবলী অর্জন করে আত্মত্যাগ এবং সহনশীলতার মনোভাব অর্জন করা।

১৯।  সামাজিক কর্মকান্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নিজের দায়িত্ব ও অধিকারী বিষয় ও সচেতন হওয়া।

২০।  প্রতিকূলতা এবং দুর্যোগ সম্পর্কে জানা এবং এটিকে মোকাবেলায় দক্ষ এবং আত্মবিশ্বাসী হওয়া। 

২১। নিজের কাজে নিজে করা এবং শ্রমের মর্যাদা দেওয়া।

২২।  প্রকৃতি, পরিবেশ এবং মহাবিশ্বকে জানা ও ভালোবাসা এবং পরিবেশের বিকাশ ও সংরক্ষণের জন্য উদ্বুদ্ধ হওয়া।

২৩। আবহাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা মোকাবেলা ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ।

২৪। মানুষের মৌলিক চাহিদা ও পরিবেশের উপর জনসংখ্যার প্রভাব এবং মানব সম্পদের গুরুত্ব সম্পর্কে জানা।

২৫। শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ অর্জুন এবং ব্যায়াম এবং খেলাধুলার মাধ্যমে নেতৃত্বের গুণাবলী অর্জন করা।

২৬।  নিরাপদ ও সুস্থ জীবন যাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা। 

২৭। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশপ্রেম ও জাতীয়তা ভূতকে উদ্দীপ্ত হওয়া এবং ত্যাগের মনোভাব তৈরি করা এবং জাতির গঠনের কাজে অংশগ্রহণ করা। 

২৮। জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি জানা এবং সম্মান করা।

 

২৯। বাংলাদেশকে জানা এবং ভালোবাসা। 

Views: 6

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *