প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য,প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য

Table of Contents

প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য

Userপ্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য
প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য

প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্যঃ শিশুর দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, আধ্যাত্মিক, নৈতিক, মানবিক ও নান্দনিক বিকাশ সাধন করা এবং তাদের দেশাত্মবোধ, বিজ্ঞান মনস্কতা, সৃজনশীলতা ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন দর্শনে উদ্বুদ্ধ করা।

প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো শিশুদের বেসিক শিক্ষা প্রদান করা এবং তাদের প্রতিযোগিতামূলক এবং সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব উন্নত করা।  এটি শিক্ষার শুরুতে প্রযোজ্য হয় এবং এটির মাধ্যমে শিশুদের জীবনের শুরুতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং মৌলিক জ্ঞান তৈরি করা হয়।

 প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য গুলি হতে পারেঃ

০১। ভাষা ও গণিতের দক্ষতাঃ  শিক্ষার প্রাথমিক ধারার মধ্যে ভাষা ও গণিতের দক্ষতা উন্নত করা হয়।  এটি স্বীকার ভিত্তিতে হতে পারে যেন শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো কথা বলতে এবং গণনা করতে পারে।

০২।  বৈজ্ঞানিক মনোভাব এবং গুণগত আচরণঃ প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৈজ্ঞানিক মনোভাব বা জ্ঞানের অনুসন্ধানকে উৎসাহিত করা হয়।  এছাড়াও গুণগত আচরণের দিকেও মনোনিবেশ করা হয় যাতে তারা সমাজে সামাজিকভাবে উপস্থিত হতে পারে।

০৩।  সামাজিক কৌশলঃ প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সামাজিক কৌশল উন্নত করা হয়, যাতে তারা সামাজিক পরিচয় করতে এবং সম্পর্ক স্থাপনের সক্ষমতা হতে পারে।

০৪। চিত্রা শিক্ষাঃ  শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে চিত্রশিক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হয়।  এটি ছোট শিশুদের মনোবল উন্নত করতে এবং তাদের ক্রিয়াশীলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

 প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে এ লক্ষ্য গুলি অর্জন করে শিক্ষার্থীরা তাদের আগামী শিক্ষা ও জীবনের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। 

প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য

প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য
প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য

প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য মোট ১৩ টি।  এগুলো নিচে দেওয়া হলঃ

০১।  আল্লাহতালা/ সৃষ্টি কর্তার প্রতি বিশ্বাস ও শিশুর মধ্যে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করা এবং সকল ধর্ম ও ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

০২।  শেখার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টির মাধ্যমে শিশুর কল্পনা শক্তি, সৃজনশীলতা ও নান্দনিকবোধের উন্মেষে সহায়তা করা।

০৩। বিজ্ঞানের নীতি- পদ্ধতি ও প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন সমস্যা সমাধানে তার ব্যবহার  এবং বিজ্ঞানমনস্ক ও অনুসন্ধিৎসু করে গড়ে তুলতে সহায়তা করা।

০৪। ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতার বিকাশ এবং নিজেকে প্রকাশ করতে সহায়তা করা। গাণিতিক ধারণা, যৌক্তিক চিন্তা ও সমস্যা সমাধানের যোগ্যতা অর্জনের সহায়তা করা।

০৫। সামাজিক ও সুনাগরিক হওয়ার গুণাবলী এবং বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের সহায়তা করা।

০৬। সামাজিক ও সুনাগরিক হওয়ার সামাজিক ও সুনাগরিক হওয়ার গুণাবলী এবং বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনে সহায়তা করা ।

০৭। ভালো মন্দের পার্থক্য অনুধাবনের মাধ্যমে সঠিক পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করা।

০৮। অন্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া, পরমত সহিষ্ণুতা, ত্যাগের মনোভাব এবং মিলেমিশে বসবাস করার মানসিকতা সৃষ্টি করা। 

০৯। প্রতিকূলতা মোকাবেলার মাধ্যমে শিশুর আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করা। 

১০। নিজের কাজ নিজে করার মাধ্যমে শ্রমের মর্যাদা উপলব্ধি ও আত্মমর্যাদা বিকাশের সহায়তা করা।

১১। প্রকৃতি, পরিবেশ ও বিশ্বজগত সম্পর্কে জানতে ও ভালোবাসতে সহায়তা করা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করা।

১২।  নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপনে  সচেষ্ট করা।

১৩। জাতীয় ইতিহাস,  ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভালবাসতে সাহায্য করা।

প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য
প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য

এ ছাড়াও

প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য

 প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য অনেকগুলো রয়েছে, যেগুলো শিক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্য গুলি অনুকরণ করে।

০১।  আদিবাসী শিক্ষা(  বেসিক লিটারেসি) ঃ প্রাথমিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য এর মধ্যে একটি হলো বেসিক লিটার এসি বা আদিবাসী পঠন- লেখন কৌশল ওজন করার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদেরকে প্রস্তুত করা।  এতে তাদের জীবনের প্রাথমিক স্তরে পঠন, লেখন, গণনা এবং অন্যান্য গুণাবলী গুলির সাথে সম্পর্কিত। 

০২। মানবিক ও চারিত্রিক বিকাশঃ  প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে মানবিক ও চারিত্রিক বিকাশের দিকে মোড়ানো হয়। এটি তাদের আদর্শ, নৈতিক মূল্য, সামাজিক সহজ মুখ হওয়া, আপন আত্মবিশ্বাস  এবং পোষণে সাহায্য করে। 

০৩। বৈচিত্র এবং পৌরোহিত্যঃ প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পৌরহিত্য এবং বৈচিত্র শেখানো হয়।  তাদেরকে বিভিন্ন ধর্ম, সাংস্কৃতিক এবং বাসার সাথে পরিচিত করার চেষ্টা করা হয়।

০৪।  গণিত এবং বিজ্ঞানে আগ্রহ উৎপন্ন করাঃ প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্যের একটি হলো শিক্ষার্থীদের কে গণিত এবং বিজ্ঞানের আগ্রহ উৎপন্ন করা।  এটি তাদেরকে কেরিয়ার উন্নত করার পথে সাহায্য করতে পারে এবং তাদের প্রতিভা বিকাশের সাহায্য করতে পারে।

০৫।  সহজ ও প্রভাবশালী শিক্ষার উপকরণ প্রদানঃ প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ এবং প্রভাবশালী স্বীকার উপকরণ প্রদান করা হয় যাতে তারা সহজেই ধরা পড়ে এবং সেকার চেষ্টা করতে পারে।

 এই প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য গুলি একসাথে কাজ করে শিক্ষার্থীদের একটি সম্পূর্ণ ও সুস্থ শিক্ষা প্রদান করে। 

Views: 19

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *