ধ্বনি, বর্ণ, অক্ষর কাকে বলে

Table of Contents

ধ্বনি, বর্ণ, অক্ষর কাকে বলে

ধ্বনি, বর্ণ, অক্ষর
ধ্বনি, বর্ণ, অক্ষর

ধ্বনি

ভাষার মূল উপকরণ ধ্বনি।ভাষা মূলত ধ্বনির মিলিত রূপ।  তাই অর্থপূর্ণ ধ্বনি সমষ্টিকে ভাষা বলা যায়। ধ্বনি সৃষ্টি হওয়ায় বাগযন্ত্রের এক বিশেষ প্রক্রিয়ায়।  ধ্বনি শ্রুতি গ্রাহ্য। মুখ দেখে লিখিত আওয়াজের ক্ষুদ্রতম অংশকে ধ্বনি বলে। 

বর্ণ

কাছের মানুষের নিকট মনের ভাব কথা বলে প্রকাশ করা যায়।  কিন্তু দূরের মানুষ অথবা ভবিষ্যৎ মানুষের নিকট মনের ভাব বা চিন্তা পৌঁছাতে হলে, লেখার প্রয়োজন। ধ্বনি লিখিত রুপই বর্ণ। ।ধ্বনি প্রকাশ করার জন্য এক প্রকার সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ প্রতিটি ধ্বনির বিশেষ বিশেষ বর্ণের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়। সুতরাং ধ্বনির নির্দেশক সাংকেতিক চিহ্নটি বলা হয় বর্ণ। 

অক্ষর 

ইংরেজিতে যাকে ছেলে ভুল বলে বাংলা থাকে অক্ষর বলা হয়।  বাক যন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত শব্দ বা শব্দাংকে অক্ষর বলে। যেমন কল্যাণ শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই  ক+ল্যা+ণ,এখানে ’ক’ ‘ল্যা’ এবং ‘ণ” এ তিনটি অক্ষর। মোট কথা একবারের চেষ্টায় যে শব্দ বা শতাংশ উচ্চারণ করা যায় তাকে অক্ষর বলে।

ধ্বনি কিভাবে তৈরি হয়ঃ ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে আসার ফলেই ধ্বনির  সৃষ্টি হয়। ধ্বনি উৎপাদনের স্বরতন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।মানুষের গলার সামনের দিকে যে অংশটি উঁচু হয়ে আছে তাকে বলে স্বরযন্ত্র। স্বরযন্ত্রের মধ্যে দুটি স্বতন্ত্রী রয়েছে। এই তন্ত্র দুটিকে বলা হয় স্বরতন্ত্রী। ফুসফুস তাড়িত বাতাস নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় স্বরতন্ত্রীতে কম্পন তুলে। এ কম্পন থেকেই ধ্বনির সৃষ্টি হয়। স্বরতন্ত্রী অতিক্রম করে বাতাস গলনালী, মুখবিবোর ও নাক দিয়ে বেরিয়ে আসে।আসার পথে বাতাস জিহবা, জিব্বামু,ল মূর্ধা, তালু, দাঁত, ঠোঁট প্রভৃতিকে স্পর্শ করে অথবা এগুলোতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়। এস স্পর্শ বা বাধার স্থান গতি ও পরিমান অনুযায়ী নানারকম ধ্বনি সৃষ্টি হয়।

ধ্বনি, বর্ণ, অক্ষর
ধ্বনি, বর্ণ, অক্ষর

Views: 16

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *