ডাবের পানির উপকারিতা

 শরীরে তাৎক্ষণিক এনার্জির জন্য যে পানীয়টি সবচেয়ে জনপ্রিয় গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল ডাবের পানি। ডাবের পানি একটি প্রাকৃতিক পুষ্টির ভান্ডার। নিম্নে ডাবের পানির উপকারী দিক সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

০১। আমাদের শরীরের খুঁটির ছেলেদের জন্য পটাশিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই উপাদানটি ডাবের পানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। এক কাপ ডাবের পানিতে প্রায় ৬০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে যা আমাদের শরীরের চাহিদার প্রায় ১৬ ভাগের ও বেশি করে থাকে। কিডনি এবং মাংসপেশি সুস্থ থাকার জন্য পটাশিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

০২। আমরা যেসব সুরা পানির জাতীয় পান করে থাকি সেগুলো আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকার করে থাকি। প্রাকৃতিক একটি উপাদান হলো ডাবের পানি যেটা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী আমাদের শরীরের সুস্থ সবল এবং কর্মতম রাখার জন্য এই পানি বিকল্প আর কিছুই থাকতে পারে না। আমাদের পানের তালিকায় এই ডাবের পানি রাখা উচিত। আমরা পান করে থাকি সেগুলোতে সরকার এবং কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ অনেক বেশি থাকে যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকার কিন্তু ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে যেগুলো আমাদের শরীরে খুবই উপকার করে থাকে। তাই আমাদেরকে অবশ্যই ডাবের পানি পান করা উচিত।

০৩। ডাবের পানিতে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং শরীরের পানীয় অম্ল ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য সকল ধরনের পুরষ্কার প্রদান থেকে। এই পানি আমাদের শরীর থেকে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর বজ্র অপসারণ এর সহায়তা করে এবং হৃদযন্ত্র,মস্তিষ্ক, মাংসপেশি এবং স্নায়ু কর্মক্ষমতা বজায় রাখি এবং ক্ষতিকর কোষের কয় ধরনের বিকল্প আর কিছুই নেই।

০৪। আমাদের শরীরে পানিশূন্যতা গাজীপুরে ডাবের পানির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।  ডাবের পানি আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানের কার্য করে। যার মাধ্যমে আমাদের শরীরকে সতেজ এবং প্রবন্ধ রাখতে পরাজিত করে।  এটি আমাদের হজমের সহায়তা করে এবং শক্তির মাত্রা ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখে তাছাড়া মাথাব্যথা শরীরের ব্যথা সহ বিভিন্ন রকম রোগের প্রতিশ্রুতি হিসেবে ডাবের পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

০৫। আমাদের মল থেকে সমস্যা থেকে ডাবের পানি মুক্তি পেতে সহযোগিতা করি। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তারা যদি ডাবের পানি পান করি এতে করে তাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। ডাবের পানির মধ্যে ফাইবার বা আস রয়েছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে আমাদেরকে সহযোগিতা করে।

০৬। এ পানির ম্যাগনেসিয়াম আমাদের শরীরের মধ্যে থাকা গ্লুকোজের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। গ্লুকোজ অতিরিক্ত পরিমাণ বেড়ে গেলে আমাদের ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ডাবের পানি শরীরের মধ্যে গ্লুকোজের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

০৭।  আমাদের হার এবং দাঁতকে সুস্থ সবল রাখতে ডাবের পানি বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে। আমাদের মাংসপেশিকে সংকুচিত এবং সঠিকভাবে কাজ করতে ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকি। এই ডাবের পানিতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ প্রায় এক কাপ পানিতে ৫৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম রয়েছে।

০৮। অক্সিডেটিভ ট্রেস বা ফ্রি রেডিক্যাল থেকে আমাদের পেতে ডাবের পানিতে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডাবের পানি আমাদের সাথে এবং প্রফুল্ল করে যার কারণে বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে আমরা সহজে রক্ষা পেতে পারি।

০৯।  হার্ট মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সঠিকভাবে কাজ করার জন্য পটাশিয়ামের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ডাবের পানির মধ্যে পটার কারণে এই পানি আমাদের হৃদরোগ সহ বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সহযোগিতা করে। ডাবের পানি হচ্ছে এমন একটি প্রাণী যা সব ধরনের রোগের প্রতিশোধ হিসেবে কাজ করি এবং আমাদের শরীরে এলার্জি তৈরিতে সহযোগী হিসেবে কাজ করে।

১০। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের জন্য ডাবের পানি একটি ওষুধ হিসেবে কাজ করি। আমাদের দেহের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ডাবের পানির কাজ করে থাকে। ডাবের পানি নির্মিত কাজ করলে শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা সঠিক পরিমাণে বজায় রাখতে সহযোগিতা করে।  তবে নিজে তবে নিজে ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি পরিমাণে ডাবের পানি খাওয়া যাবে না। এতে আমাদের শরীরে উপকারী পরিবর্তে অপকারও হতে পারে। তাই জাতির গ্রুপে যে সমস্যা রয়েছে তারা ডাবের পানি খাওয়ার আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ করে নিবেন, যাতে করে আপনার সাথে কোন ধরনের সমস্যা না হতে পারে।

১১। প্রাকৃতিক এই পানিতে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, এন্টিভাইরাস ও ভিটামিন সি থাকে যেগুলো আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং আমরা প্রত্যেকে সহজে রক্ষা পেতে পারি।ভিটামিন সি আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বেশি ভূমিকা পালন করে থাকি ডাবের পানি নির্মিত পান করলে মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

ডাবের পানি প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভান্ডারী শিবির কাজ করে থাকে।  তবে কোন কিছু অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া কোনভাবেই ঠিক নয়। খাবার যেরকম আমাদের উপকার করে থাকে বেশি প্রেরণে গেলে ঠিক অপকারও করে থাকে।  তাই কোন কিছু খাওয়ার আগে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ করে খাওয়াই সবচাইতে ভালো।

গর্ভবর্তী মায়ের যত্ন

ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

Views: 9

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *