আদার উপকারিতা

আদা রান্নার মসলা এবং ওষুধ হিসেবে উভয় ক্ষেত্রে প্রচুর উপকারিতা প্রদান করে।  আদা এমন একটি মসলা যা বিভিন্ন রোগের প্রতিশোধ হিসেবে কাজ করে।  নিচে আদার কিছু উল্লেখযোগ্য সুবিধা উল্লেখ করা হলো

০১। পরিপরক সহায়কঃ বমি বমি এবং বদহজমের মতো হজম সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে আধা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয় আসছে।  এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইল বেশি শিথিল করতে অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে।

০২। এন্টি ইনফ্লামেটরি প্রপার্টিঃ আদার মধ্যে রয়েছে  জিনজারল, একটি বায়ু একটিভ যৌগ যার শক্তিশালী এন্টি ইনফ্লেমোটরি  প্রভাব রয়েছে।  এটি প্রদাহ কমাতে এবং অস্টিও এতোরাইটিস এবং রিয়েমা ও অ্যাড অর্থজনক অবস্থার উপশম করতে সহায়তা করে।

০৩। বমি বমি ভাব দূর করেঃ মোশন সিকনেস গর্ভাবস্থা বা কুম্ভুতেরাফির কারণে বমি বমি ভাব কমাতে আদার বিশেষভাবে কার্যকর।  বা বসে বা হজমের কোন প্রকার সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আদা খাওয়ার মাধ্যমে তার এই ভাব দূর হয় এবং হজম সহজে হয়ে যায়।  বিশেষ করে গ্যাসের মত সমস্যা এটি বেশ কার্যকর।

০৪। ইমিউন বুস্টারঃ এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আদা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।  শরীরকে অক্সিডেটিভ ট্রেস থেকে রক্ষা করে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়।

০৫। ব্যথাদূর করেঃ  আদাপ বিরোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে আদা মাসিকের ব্যথা বেশীর ব্যাথা এবং মাথা ব্যাথা সহ বিভিন্ন ধরনের ব্যাথা অনুসরণ করতে সাহায্য করে।  এর যা যা লোভ ভাব যেকোনো ধরনের ব্যথা এবং ব্যর্থস্থানে মালিশ করলে বা লাগালে দ্রুত উপশম হয়ে যায়। অনেকেই মাথাব্যথার জন্য আদা বেটি মাথার মধ্যে মালিশ করে থাকে অথবা শরীরের যেকোনো জায়গায় বেথাস্তা নিয়ে আদাবাটা মালিশ করে থাকে।

০৬। হার্টের স্বাস্থ্যঃ  কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে যে আদার অর্থ হচ্ছে চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে এবং রক্ত জমাট বাধা প্রতিরোধ করে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে।  আদা সাধারণত শরীরের মধ্যে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। আমাদের শরীরের যে অতিরিক্ত চর্বি থাকে এগুলো আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরল গুলো আদা কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।  যার কারণে আমরা অনুভব করি এবং আমাদের হার্ড সঠিকভাবে কাজ করতে পারে এবং সজল থাকে।

০৭।ওজন কমায়ঃ  নিয়মিত আদা খেলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমে যায়। , আধা শরীরের মধ্যে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। এটি আমাদের ক্ষুধা মন্দার বাপ ও অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা থেকে রক্ষা করে  যার কারণে আমরা পরিমিত মাত্রায় খাবার গ্রহণ করতে পারি এবং আমরা সুস্থতা অনুভব করি।

০৮। এন্টি মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যঃ আদার মধ্যে এমন এক উপাদান রয়েছে যা এন টু মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যের অধিকারী যা কিছু সংক্রমনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য কে উন্নতি করতে সহযোগিতা করে।  আমাদের স্বাস্থ্য ও সুন্দর এবং সুস্থ থাকার জন্য রোগ প্রতিরক্ষমতা বৃদ্ধি করা অবশ্যই প্রয়োজন।এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ করতে সহযোগিতা করে। 

০৯। কগনিটিভ ফাংশনঃ প্রাথমিক গবেষণা দেখা যায় যে আদার নিউরো প্রটেক্টিভ বৈশিষ্ট্য থাকার তাকাতে এবং এটি আমাদের গ্রামে কার্যকারিতা বাড়ায়। আদামাতের বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক উন্নতি ঘটায়।

১০।  এন্টি ডায়াবেটিক প্রভাবঃ আদা ইনসুলিন বৃদ্ধি করে দিয়ে রক্তের শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে।  এটি ডাইবেটিস যুক্ত ব্যক্তিদের অবস্থার বিকাশে ঝুঁকি থাকা ব্যক্তিদের জন্য সম্ভাব্য বেশ উপকারী করে।  যারা ডায়াবেটিসের আক্রান্ত তাদের জন্য আদা একটি ব্যাস  কার্যকরী উপাদান।  আদা মানুষের শরীরে মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সঠিক পরিমাণে ইনসুলিন তৈরি করে। যার কারণে ডায়াবেটিসের ব্যক্তিদের জন্য আদা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  নিয়মিত আদা খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে আমাদের ডায়েটের আধা অন্তর্ভুক্ত করা ভালো স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার অবদান রাখতে পারে।  তবে এটি পরিমিতভাবে সেবন করা প্রয়োজন এবং একজন স্বাস্থ্যসেবার পেশাদার সাথে পরামর্শ করা দরকার। 

মধুর উপকারিতা

Views: 11

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *